ব্রেকিং

x

করোনা সংক্রমিতদের আইসোলেশন ৫-৭ দিন করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২২ | ১০:৫৫ অপরাহ্ণ | 194 বার

করোনা সংক্রমিতদের আইসোলেশন ৫-৭ দিন করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ফাইল ছবি

করোনা সংক্রমিতদের আইসোলেশন ১০ দিনের পরিবর্তে ৫ থেকে ৭ দিন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি জানিয়েছেন, খুব শিগগির স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নতুন আইসোলেশন নীতির এ ঘোষণা দেবে।

আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ) আয়োজিত এক ভার্চ্যুয়াল মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। করোনার প্রথম ও দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় আইসোলেশন ১৪ দিন ছিল।



‘কোভিড-১৯-এর নতুন ধরন অমিক্রনের উদ্বেগজনক পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেসরকারি হাসপাতালগুলোর প্রস্তুতি’ শিরোনামে এই মতবিনিময় সভায় রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতাল এভারকেয়ারের পরিচালক (মেডিকেল) আরিফ মাহমুদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, কোভিড আক্রান্তদের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ দিনের আইসোলেশনের নতুন নীতিমালা করা হয়েছে। কারণ, এ সময়ে চিকিৎসক, নার্সসহ হাসপাতালের জনবলও ব্যাপক হারে আক্রান্ত হওয়ায় তাঁদের দীর্ঘ সময় অনুপস্থিত থাকতে হচ্ছে। এতে সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়া বেসরকারী হাসপাতালে র‍্যাপিড আরটি পিসিআরের অনুমতি এবং আক্রান্ত ব্যক্তিরা যেন যত্রতত্র জায়গা থেকে ওষুধ কিনে না খান, সে জন্য একটি চিকিৎসা নীতিমালা তৈরির অনুরোধ জানান তিনি।

জবাবে মন্ত্রী বলেন, আইসোলেশন নীতি নিয়ে ইতিমধ্যে সরকার আলোচনা করেছে। খুব শিগগির পাঁচ থেকে সাত দিন আইসোলেশনে থাকার ঘোষণা আসবে। এ ছাড়া সরকার নতুন চিকিৎসা নীতিমালাও তৈরি করবে।

বেসরকারি হাসপাতালগুলোর প্রস্তুতি সম্পর্কে বিপিএমসিএর সভাপতি এম এ মুবিন খান বলেন, অমিক্রনের ভয়াবহতা এখন সারা বিশ্বে। কোভিডের প্রথম ঢেউ-এর সময় যেভাবে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলো সম্মিলিতভাবে কাজ করেছিল, এবারও সেভাবে মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে অমিক্রন ডেলটা ধরনের চেয়ে কম গুরুতর হলেও অতি বিপজ্জনক ভাইরাস।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত বেসরকারি হাসপাতালগুলোর অন্য প্রতিনিধিরা জানান, শয্যা, আইসিইউ, অক্সিজেন, প্রশিক্ষিত চিকিৎসক ও নার্স নিয়ে অমিক্রন মোকাবিলায় তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছেন । সংক্রমণ কমে যাওয়ায় শয্যা সংখ্যা কমানো হয়েছিল, প্রয়োজনে তা আবারও বাড়ানো হবে। এই মুহূর্তে সংক্রমণ বেশি হলেও রোগীরা হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্র নিয়ে চলে যাচ্ছেন। অনেকে টেলি মেডিসিন সেবা নিচ্ছেন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সংখ্যা খুবই কম।

শুরুর চেয়ে করোনা মোকাবিলায় দেশ এখন অনেক ভালো অবস্থায় আছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন লাইন আছে। লিকুইড অক্সিজেন আছে। ৮৫০টি পরীক্ষাকেন্দ্র আছে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান বলেন, এখন হাসপাতালগুলো যন্ত্রপাতিতে সুসজ্জিত। জনবলও প্রশিক্ষিত ও আত্মবিশ্বাসী। এবারও সম্মিলিত উদ্যোগে তৃতীয় ঢেউ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।

নামাজের সময়সূচি

[prayer_time]

Development by: webnewsdesign.com