ব্রেকিং

x

নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ-হতাশা থাকলেও সবার রয়েছে শীর্ষ নেতার প্রতি শ্রদ্ধা

সোমবার, ০৭ অক্টোবর ২০১৯ | ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ | 57 বার

নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ-হতাশা থাকলেও সবার রয়েছে শীর্ষ নেতার প্রতি শ্রদ্ধা
সাবেক যুবলীগ নেতা সম্রাট, ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাট আটক হওয়ার ঘটনায় সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ-হতাশা থাকলেও দলের শীর্ষ নেতা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নীরব রয়েছেন তারা।

রোববার (৬ অক্টোবর) ইসমাইল হোসেন সম্রাটের আটকের ঘটনার পর সংগঠনের অধিকাংশ নেতার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে যে কয়েকজনের সঙ্গে কথা হয় তারা কেউই নিজ নাম প্রকাশ করে বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা যুবলীগের এক সহ-সভাপতি বলেন, উনি আমাদের নেতা। রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে একসঙ্গে কাজ করেছি। আজকের এই ঘটনায় কষ্ট লাগছে। কিন্তু কিছু বলার নেই। দলের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। আমরা নেত্রীর সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে সম্রাট ভাইয়ের প্রতি আমাদের ভালোবাসা সব সময়ই ছিল, থাকবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুবলীগের দক্ষিণ শাখার অন্তত তিনজন সম্পাদক পদধারী নেতা বলেন, বলার তো কিছু নেই। সম্রাট ভাইকে আমরা ভালোবাসি। নেত্রীকে আমরা ভালোবাসি। নেত্রী যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের আরেক সদস্য বলেন, ক্যাসিনোতে সম্রাট ভাইকে ঢুকিয়েছে আরমান আর অস্ত্র ওই খালেদের। এ দুইজন ছাড়াও আরও অনেকে সম্রাট ভাইকে ব্যবহার করেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বলেন চেয়ারম্যানকে গ্রেফতার করতে।

ওই নেতা বলেন, আমাকে সম্রাট ভাই মদ খাওয়া শিখায়নি, আমি তাকে খেতেও দেখিনি, আমাকে তিনি ক্যাসিনোতে পাঠায়নি আমি যানি না তিনি জুয়া খেলেন। তিনি আমাকে রাজনীতির কথা বলেছেন এবং রাজনীতির জন্য গাল মন্দ করেছেন।

এই সহ সভাপতি বলেন, ইয়বা খায় না, শুনেছি মদ আগে খেত, এখন খায় না হার্ট অ্যাটাকের জন্য। আমি তাকে কাউকে মারতে দেখিনি, পিস্তল তার লাগে না তার মুখের কথাই পিস্তল, আছে কর্মীদের আস্থা ভালোবাসা। তবে আমাদের কাছে নেত্রীর চেয়ে বেশি মূল্যবান সম্রাট ভাই না, যদি নেত্রীর সিদ্ধান্ত না হতো যদি অন্য কোনো দল ক্ষমতায় থাকতো তাহলেও সম্রাট ভাইয়ের কিছু করতে পারতো না।

এ দিকে রোববার বিকেলে নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া স্ট্যাটাসে যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ লিখেছেন, ‘সম্রাট হলো আইয়ার, যারা ধনবানদের লুট করে গরিবদের বণ্টন করতেন। আইয়ারদের এরকম ইতিহাস পড়েছি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে। সে কি করেছে যানি না। তবে ক্যাসিনো অভিযানের পূর্বে নিষিদ্ধ ছিল কিনা তা জানা নেই। গেমলিং বড়লোকদের নেশা পৃথিবীর সব দেশেই। এখন যদি সম্রাট অর্থপাচার করে না থাকে তবে অপরাধ লঘু হবে। যদি আইয়ারদের মতো হয় তবে সে নিঃসন্দেহে গরিবের বন্ধু। ধন্যবাদ।’

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

Development by: webnewsdesign.com