ব্রেকিং

x

মানবাধিকার ও অধিকার

শনিবার, ১০ মার্চ ২০১৮ | ৫:০৯ অপরাহ্ণ | 275 বার

মানবাধিকার ও অধিকার

মো: ফরহাদ হোসেন ফখরুল…………………

পৃথিবীর যে কোন দেশের সংবিধানে মৌলিক অধিকারকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়। মৌলিক অধিকারগুলো জনগণের বিবিধ গুরুত্বপূর্ণ অধিকারকে সাংবিধানিক নিশ্চয়তা দেয়। ফরাসি বিপ্লব (১৭৮৯) এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা ঘোষণার (১৭৭৬) পর থেকে বিভিন্ন দেশের সংবিধানে মৌলিক অধিকার বা অধিকারের সনদ  সংগ্রহের একটা প্রথা হয়ে আসছে। যাহক, মৌলিক অধিকারগুলো পরিবর্তনশীল। তবে আইন পরিষদের সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় এগুলো পরিবর্তন করতে পারে না। সংবিধানে মৌলিক অধিকার বা অধিকারের সনদ সন্নিবেশ করা একটা রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তবে আইন পরিষদের সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় এগুলো পরিবর্তন করা যায় না। সংবিধানে মৌলিক অধিকার রক্ষার ব্যাপারে স্পষ্ট বক্তব্য থাকে। মৌলক অধিকারগুলো আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য বলে সরকার যেমন সজাগ থাকে, অপরদিকে জনগণও  অধিকারগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য আদালতের সহযোগিতা নিতে পারে।
মানবাধিকার আধুনিক বিশ্বে অধিত্তাধিক ধারণা অর্জন করলেও এ ধারণাটা নতুন নয়। প্রাচীন ধর্মীয় বিশ্বাস কিংবা মূল্যবোধের মধ্যে মানবাধিকারের বিষয়টি সনাক্ত যায়। বর্তমান সময়েও মার্টিন লুথার কিং, মছির উদ্দিন খাঁন, শেখ মুজিবুর রহমান, মহাত্মা গান্ধী কিংবা মাদার তেরেসা এবং বর্তমান প্রধান মন্ত্রী  শেখ হাসিনা তাদের  মাঝে মানবাধিকারের বিষয়টি  ছিল ।প্রথম বিশ্ব যুদ্বের পর থেকে মানবাধিকারের সার্বজনীন রূপটি উদ্ভাসিত হয়  । যার কারণে প্রতিষ্ঠিত করা হয় “লীগ অব নেশনস্”।  নাজি বাহিনীর অমানবিক নির্যাতন বিশ্ববাসীকে মানবাধিকার নিয়ে বিশেষভাবে ভাবতে অনুপ্রাণিত করে। ২৬ জুন, ১৯৪৫ সনে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ গঠন করা হয়, যা’২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে প্রকাশ করা হয়। জাতিসংঘ সনদে তাই উল্লেখ করা হয়, মানুষের মৌলিক অধিকারসমূহ  বা মানুষের মর্যাদা ও মূল্য, সমঅধিকার, ন্যায়বিচার, সামাজিক অগ্রগতি, মৌলিক স্বাধীনতা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, আরও অনেক।

২। মৌলিক অধিকার :  মৌলিক অধিকার বলতে  সে সব অধিকারকে বুঝায়, যা কোনো দেশের সংবিধানে লিপিবদ্ধ করা হয় এবং যা বাস্তবায়নের ব্যাপারে সাংবিধানিক নিশ্চয়তা দেয়া হয়। মৌলিক অধিকারগুলো সবই মানবাধিকার, তবে পার্থক্য হল মানবাধিকারগুলোকে সাংবিধানিক নিশ্চয়তা দেয়া হয় না। সুতরাং বলা যায় যে, যখন কতিপয় মানবাধিকারকে সংবিধানে লিপিবদ্ধ করে তাদের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা দেয়া হয়, তখন এগুলোকে মৌলিক অধিকার বলা হয়। সাংবিধানিক নিশ্চয়তা বলতে বুঝায়,  অধিকার থেকে কেউ বঞ্চিত হলে সে ব্যক্তি আদালতের মাধ্যমে ঐ সব অধিকার ফিরে পাবে। আদালত তার রায়ের মাধ্যমে সরকারকে ঐ সব অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার হুকুম দিতে পারে।

এশিয়ার একটি দেশের সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি জনৈক মামলার রায়ে অন্যান্য বিষয়ের সাথে মৌলিক অধিকারের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। জনৈক বিচারপতি মতে, মৌলিক অধিকারের প্রকৃত উপাদান হলো, এগুলো কম-বেশি স্থায়ী এবং সাধারণ আইনের মতো পরিবর্তনযোগ্য নয়।

অতএব,  উপরোক্ত আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি, মৌলিক অধিকারগুলো এমন অধিকার যা কোনো দেশের সংবিধানে লিপিবদ্ধ থাকে , তা’ বাস্তবায়নের ব্যাপারে সাংবিধানিক নিশ্চয়তা দেয়া হয়। গণতান্ত্রিক সরকার তার শাসনতান্ত্রিক উৎকর্ষের জন্য মৌলিক অধিকারকে অত্যন্ত সর্তকতার সাথে  লালন করে এবং তা বাস্তবায়নের ব্যাপারে সাধ্যমতো চেষ্টা করে। যাইহক,  বর্তমান বিশ্বে শাসকদের  সফলতা নির্ণয়ের অন্যতম পরিচয় হলো তারা কতটুকু মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা জনগণকে দিতে পেরেছে।
জাতিসংঘ গঠনের উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বমানব গোষ্ঠীকে যুদ্ধের ধ্বংসাবেস  থেকে  মুক্তি  দেয়া লক্ষ্যে  মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা হয়। সেই লক্ষ্যে  ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়। মানবাধিকার ঘোষণায় সকল বর্ণের, ধর্মের, জাতির সম-অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ঘোষণার মধ্য দিয়ে মৌলিক, সামাজিক, রাজনৈতিক,অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করা হয়। অতঃপর পৃথিবীর বহুদেশ তাদের আইন শাসনতন্ত্রে মানবাধিকারের বিষয়টি সংযোজন করে নেয়।

মানবাধিকার মানে ক্ষুধা থেকে মুক্তি, আমার ভোট আমি দিব যাকে খুশি তাকে দিব, শিক্ষার সুযোগ লাভ করা, আমার বিশ্বাসে অন্য কারোর কোন প্রকার হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই, সুস্বাস্থের নিশ্চয়তা, কোন প্রকার বৈষম্যবিহীন সকল প্রকার অধিকার ভোগ করার নিশ্চয়তা, সকল মানুষের সম উন্নতির নিশ্চয়তা। জাতিসংঘ কতৃক ঘোষিত মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা পরবর্তীকালে আরো ব্যাপকতা লাভ করে।  নিজের বিশ্বাস ব্যক্ত করার স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ গণজমায়েতের অধিকার,  চাকুরির নিশ্চয়তা, শিক্ষার নিশ্চয়তা, জীবনধারণের নিশ্চয়তা, বস্ত্র, বাসস্থান, ওষুধের নিশ্চয়তা। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৮৬ সালে গৃহীত এক প্রস্তাবে উন্নয়নকে মানবাধিকারের আওতায়ভুক্ত করে।
সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণার ৫০ বছরে অসংখ্য উদ্যোগ এবং কর্মকৌশল গ্রহণ করা হয়েছে যা’মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সার্বজনীন মানবািধকার ঘোষণার পর বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটেছে। মানব সভ্যতার অভিশাপ বলে চিহ্নিত বর্ণ বৈষম্যবাদের বিলুপ্তি ঘটেছে। নারী-পুরুষের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, দাস প্রথার বিলুপ্তি, ইত্যাদি।

তারপরও প্রশ্ন থেকে যায় যে, বিশ্বে কি এখানো মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে? বিশ্বের ব্যাপক সংখ্যক জনগোষ্ঠী প্রকৃত অর্থে মানবাধিকারের এই সুফল থেকে বঞ্চিত। সমঅধিকার এখন পর্যন্ত তাদের কাছে একটি শ্লোগান মাত্র। এখন পর্যন্ত তৃতীয় বিশ্বের জনগণের দারিদ্র্য ক্ষুধা নিবারণের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাস্তবভিত্তিক কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারেনি। আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলেও এখন পর্যন্ত সুষম বন্টনের ক্ষেত্রে বিশাল বৈষম্য রয়েছে। গণতন্ত্র বা মুক্তবাজার অর্থনীতি তাদের জন্য কোনো সুফল বয়ে আনতে পারেনি। আজ  পর্যন্ত বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে।

 

৩। বাংলাদেশ সংবিধানে উল্লেখিত মৌলিক অধিকারসমূহ হল:  বাংলাদেশের সংবিধান প্রণেতাগণ সংবিধানে মৌলিক অধিকার সন্নিবেশের ব্যাপারে অত্যন্ত সজাগ ও সচেতন ছিলেন। ১৭৮৯ সালের মার্কিন সংবিধান এবং ১৯৪৯ সালের ভারত সংবিধানে উল্লিখিত মৌলিক অধিকারের ব্যাপারে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণেতাগে অনুসরনীয় ছিলেন। যার কারনে ঐ সব দেশের সংবিধানে উল্লিখিত মৌলিক অধিকারের আলোকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সরকারের গণপরিষদ বাংলাদেশ সংবিধানে মৌলিক অধিকার সংযুক্ত করেন।

(ক)  বাংলাদেশের নাগরিকরা ভোগ করতে পারে এমন মৌলিক অধিকার ১২টি যথা :
(১)  আইনের দৃষ্টিতে সমতা :

সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের আশ্রয় লাভের অধিকারী। এই অনুচ্ছেদকে ব্যাখ্যা করলে দাঁড়ায়, সকল ব্যক্তিই আইন দ্বারা সমভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে, কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়। সমপর্যায়ভুক্ত সকল ব্যক্তির প্রতি আইন সমান আচরণ করবে এবং সকলকে সমভাবে রক্ষা করবে। তবে ব্যক্তির কার্য ও দায়িত্বের ভিন্নতা থাকতে পারে এবং বিভিন্ন শ্রেণীর কর্তব্য এবং অধিকার ভিন্ন হতে পারে। (অনুচ্ছেদ-২৭) ।
(2)  ধর্ম, বর্ণ, নারী-পুরুষ বৈষম্য করা যাবে না :

ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী, নারী-পুরুষ ভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করবে না এবং উক্ত কারণে নাগরিককে সাধারণ বিনোদন ও বিশ্রাম কেন্দ্রে কিংবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ বা ভর্তি হতে বঞ্চিত করা যাবে না। রাষ্ট্রীয় জীবনের সর্বস্তরে নারী ও পুরুষ সমান অধিকার লাভ করবে। তবে নারী, শিশু ও অনগ্রসর নাগরিকদের অগ্রগতির জন্য রাষ্ট্র বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। (অনুচ্ছেদ-২৮) ।
(৩)  চাকুরির সমান সুযোগ :

প্রজাতন্ত্রের চাকুরিতে নিয়োগ লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সমান সুযোগ থাকবে। আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন নাগরিকদের মধ্যে রাষ্ট্রের চাকুরিতে নিয়োগ লাভের ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য করা যাবে না। (অনুচ্ছেদ-২৯)।

(৪)  বিদেশী রাষ্ট্রের উপাধি গ্রহণ:

১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে বিধান ছিল যে, রাষ্ট্র কোনো উপাধি, সম্মান বা ভূষণ প্রদান করবে না এবং রাষ্ট্রের বিনা অনুমতিতে কোনো নাগরিক কোনো বিদেশী পুরস্কার গ্রহণ করবে না। তবে রাষ্ট্র সাহসিকতার জন্য পুরস্কার বা অপধফবসরপ ফরংঃরহপঃরড়হ দান করতে পারে। (অনুচ্ছেদ ৩০) ।
(৫)  আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার:

বাংলাদেশের অবস্থানরত সকল ব্যক্তি কেবল আইন অনুসারে নিয়ন্ত্রিত হবে এবং আইনের বিধি ছাড়া কারো জীবন, স্বাধীনতা, দেহ, সুনাম বা সম্পত্তির হানি করা যাবে না। (অনুচ্ছেদ-৩১)।
(৬) চলাফেরার স্বাধীনতা:

সকল নাগরিক বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধে চলাফেরা করতে পারবে। নাগরিকরা যে কোনো স্থানে বসবাস করতে পারবে এবং বাংলাদেশ ত্যাগ ও এ’ দেশে পুনঃপ্রবেশ করতে পারবে। এতে অবশ্য কিছুটা ব্যতিক্রমও আছে। সেটা হলো সরকার জনস্বার্থে চলাফেরার স্বাধীনতার ওপর যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ আরোপ করতে পারবে। (অনুচ্ছেদ- ৩৬)।
(৭)  সমাবেশের স্বাধীনতা:

জনশৃঙ্খলা বা জনস্বার্থের জন্য আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ শান্তিপূর্ণভাবে বা নিরস্ত্র অবস্থায় সমবেত হবার এবং জনসভা ও শোভাযাত্রায় যোগদান করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে। (অনুচ্ছেদ-৩৭)।
(৮)  সংগঠনের স্বাধীনতা:

জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে সমিতি বা সংগঠন করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে। (অনুচ্ছেদ ৩৮) ।
(৯)  বাক-স্বাধীনতা:

সকলের চিন্তা ও বিবেকের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকবে। এ অনুচ্ছেদে বাক-স্বাধীনতা ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা স্বীকার করা হয়েছে। তবে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃংখলা, শালীনতা বা নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে রাষ্ট্র আইনের দ্বারা যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ আরোপ করতে পারবে। (অনুচ্ছেদ-৩৯) ।
(১০)  পেশা ও বৃত্তির অধিকার:

যোগ্যতাসম্পন্ন প্রত্যেক নাগরিক আইনের দ্বারা আরোপিত বাধানিষেধ সাপেক্ষে যে-কোনো আইনসঙ্গত পেশা বা বৃত্তি গ্রহণ করতে পারবে এবং যে-কোনো আইনসঙ্গত কারবার বা ব্যবসায় পরিচালনা করতে পারবে। (অনুচ্ছেদ-৪০)।
(১১)  ধর্মীয় স্বাধীনতা:

ধর্মীয় স্বাধীনতার ব্যাপারে বলা হয়েছে যে, আইনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের যে-কোনো ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার থাকবে। প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার থাকবে। (অনুচ্ছেদ-৪১)।
(১২) গৃহ ও যোগাযোগরক্ষণ:

প্রত্যেক নাগরিকের স্বীয় গৃহে নিরাপত্তা লাভের অধিকার থাকবে। এ’ অনুচ্ছেদের অর্থ দাঁড়ায় কারো গৃহে প্রবেশ করা, তল্লাশি করা এবং কাউকে আটক করা চলবে না। এছাড়াও চিঠিপত্রের এবং যোগাযোগের অন্যান্য মাধ্যমে গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে। তবে রাষ্ট্রের নিরাপত্তার, জনশৃঙ্খলা, নৈতিকতা বা জনস্বার্থের জন্য আইনের দ্বারা যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ আরোপ করা যাবে। (অনুচ্ছেদ-৪৩)।

 

 

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

Development by: webnewsdesign.com