ব্রেকিং

x

চাকরীর কোটা পদ্ধতি বাতিলের ঘোষণা দিলেন প্রধান মন্ত্রী

বৃহস্পতিবার, ১২ এপ্রিল ২০১৮ | ৪:৩৭ অপরাহ্ণ | 20 বার

চাকরীর কোটা পদ্ধতি বাতিলের ঘোষণা দিলেন প্রধান মন্ত্রী

প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারী চাকরীতে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিলের ঘোষনা দিয়েছেন। তিনি বলেন যখন কেউ এটা চায়না তখন এটা রাখার আর কোন প্রয়োজন নেই। কোটা পদ্ধতি বাতিল এটা প্রধান মন্ত্রীর পরিষ্কার ঘোষণা। গতকাল জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রধান মন্ত্রীর নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকের এক সম্পুরক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। প্রধান মন্ত্রী বলেন যাতে কারও কোন সমস্যা না হয়, বারবার রাস্তা বন্ধ করে আন্দোলন না হয়,বারবার যাতে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ না হয়। তা বন্ধ করতে, আমি কোটা পদ্ধতি বাতিলই করে দিতে চাই। এখন থেকে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে। তিনি বলেন আন্দোলনের নামে যা হচ্ছে তা কোন মতেই মেনে নেওয়ার মত না। তারা যদি না চায় তবে আমরা কোটা বন্ধই করে দেব। আন্দোলন কারীদের বলবো ক্লাশে ফিরে যেতে। যারা ভিসির বাসভবনে হামলা ও লুটপাট করেছে, লুটের মাল ছাত্রদেরকেই খুঁজে বের করে দিতে হবে। এ অন্যায় কোন ভাবেই মেনে নেওয়া যাবেনা। ডিবি কে ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। লুটপাট কারীদের অবশ্যই বিচার হবে। তবে পিছিয়ে পড়া প্রতিবন্ধী ও ক্ষুদ্র নৃ- গোষ্ঠীর চাকরির ব্যাপারে আমরা অন্য সিদ্ধান্ত নেব। যারা ঘটনা ঘটিয়েছে তারা ঢাবা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হওয়ার উপযুক্ত নয়। যারা এ ধরনের কাজ করেছে তাদের আমি ছাত্র মনে করিনা। কারন কোন ছাত্র শিক্ষককে এভাবে অপমান করতে পারে না। আমি আজও আমার শিক্ষককে দেখলে তাঁকে সম্মানের উচ্চ শিখরে রাখি। অভিমানী কন্ঠে প্রধান মন্ত্রী বলেন কোটা পদ্ধতি থাকলেই সংস্কারের প্রশ্ন আসবে। এখন সংস্কার হলে আরেক দল পরে আবার সংস্কারের দাবী তুলবে, কোটা থাকলেই ঝামেলা। তাই তিনি পরিস্কার কন্ঠে কোটা বাতিলের ঘোষনা দেন। এখনও তো মেধা তালিকায় চাকরি হলে তারাওতো মেধাবী তার পরও আন্দোলন, মেয়েরা রোদের মধ্যে রাস্তায় বসে আছে, আন্দোলন করে রাস্তা বন্ধ করে যানজট সৃষ্টি করছে। রোগী হাসপাতালে যেতে পারছে না মারা যাচ্ছে। জেলা কোটা আছে তারপর, তারাও রাস্তায় নেমেছে। এরাও যখন চায়না তবে কোন কোটার দরকার নেই। বিসিএস সহ মেধার ভিত্তিতেই নিয়োগ হবে। ছাত্রীদের আন্দোলনে নামায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ১৯৯৬ সালে আমি ক্ষমতায় আসার পর একটাও মেয়ে সচিব ছিল? পুলিশ, সেনাবাহিনী ও সেরকারী কোন প্রতিষ্ঠানে মেয়েরা চাকরি পেত? কোথাও মহিলাদের অবস্থান ছিলনা। এ কারনে মহিলাদের ক্ষেত্রে ১০ভাগ কোটা নির্ধারন করা হয়েছিল। এখন মেয়েরাও আন্দোলনে নেমেছে। এতে আমিও খুশি। নারীর ক্ষমতায়নে আমি বেশী কাজ করেছি। আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্ত্রের ঝনঝনানী, সেশন জট ছিল, আমরা সরকারে এসে কঠোর হস্তে সে সব দমন করেছি। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়েছি। যারা আন্দোলন করছে, তাদের কি করলে ভাল হবে তা আমরা জানি। সেই অনুযায়ী আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

Development by: webnewsdesign.com